পরীক্ষামূলক প্রচার...
Mohajog-Logo
,
সংবাদ শিরোনাম :

মরিচের দাম চড়া, বাড়ছে মসলার দাম

ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসতেই বাড়ছে মসলার দাম। এক থেকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ছয় ধরনের মসলার দাম কেজিতে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ-আছদগঞ্জে মসলার দামে বাড়তি দেখা যায়। এদিকে চলতি মাসের (জুলাই) শুরুতে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া কাঁচা মরিচের দাম এখনও চড়া রয়েছে। শুক্রবার চট্টগ্রাম ও রাজধানীর বেশকয়েকটি বাজার ঘুরে এমনটি দেখা যায়।

চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ জার্নাল প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের এলাচির দাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকায়। আর খুচরায় প্রতি ১০০ গ্রাম এলাচি মিলছে ১৭০-১৮০ টাকা দরে, আর পাইকারিতে ভারতীয় জিরার দাম প্রতি কেজি ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। এই জিরা খুচরা বাজারে প্রতি ১০০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

এদিকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দারুচিনির দাম বেড়েছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা খাতুনগঞ্জ থেকে প্রতি কেজি চীনা দারুচিনি কিনেছেন ২৭০ টাকায়। আর ভিয়েতনামের দারুচিনি বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায়। যা খুচরা বাজারে ১০০ গ্রাম ৩৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। এলাচির দর কেজিতে ১০০ টাকা, জিরা, গোলমরিচ, দারুচিনি, জায়ফল ও লবঙ্গ কেজিতে ২০-৬০ টাকা বেড়েছে। দেশ ও মানভেদে লবঙ্গের দাম বেড়েছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

এদিকে কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, শান্তিনগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১২০-১৪০ টাকা কেজিতে। আগের সপ্তাহেও ব্যবসায়ীরা একই দামেই মরিচ বিক্রি করেছেন বলে জানান।

ব্যবসায়ীরা জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। বৃষ্টির কারণে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানান তারা। একই সঙ্গে বাড়তে পারে অন্যান্য সবজির দামও।

এছাড়া বাজারে পটল, ঝিঙা, ধুনদল, চিচিংগা, বেগুন, কাকরল, ঢেঁড়স, মিষ্টি কুমড়া, পেপে, করলাসহ প্রায় সব সবজিই পাওয়া যাচ্ছে। এসব সবজি ৩০ টাকা কেজির মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ভেদে সবজির দামের পার্থক্য রয়েছে। সবজির মধ্যে বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো এবং বরবটি। পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. জয়নুল বলেন, অনেক দিন ধরেই বাজারে বেশিরভাগ সবজি ৩০-৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে বৃষ্টিতে সবজি নষ্ট হয়ে যেতে পারে -এমন আশঙ্কায় অনেক চাষি খেতের ফসল তুলে ফেলছেন। ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *