1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

গ্রিনলাইনে পা হারানো রাসেল পাচ্ছেন আরো ২০ লাখ টাকা

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৬৯ বার

বাসের চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ আরো ২০ লাখ টাকা দিতে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই টাকা এককালীন পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এস আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এই রায় দিয়েছেন।

রিট আবেদনকারী ও গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উভয় পক্ষের আইনজীবীরা।

এর আগে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ রাসেল সরকারকে মোট ১৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা দিয়েছিল। দুই কিস্তিতে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা এবং চিকিৎসা বাবদ তিন লাখ ২৮ হাজার টাকা দিয়েছিল। আজকের এই রায়ের ফলে আরো ২০ লাখ টাকা দিতে হবে। গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করায় এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা আপিল করবেন না বলে জানিয়েছেন গ্রিন লাইনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসের চাপায় রাসেলের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে গ্রিনলাইনের বাস এবং তার চালককে পুলিশ আটক করে।

পুলিশ সে সময় জানিয়েছিল, রাসেল একটি প্রাইভেটকার চালাচ্ছিলেন। তার গাড়িতে বাসটি ধাক্কা দিলে প্রতিবাদ জানাতে বাসটি থামাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাসটি তার উপর দিয়েই চালিয়ে দেন চালক। এতে রাসেলের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পা হারানো রাসেল সরকারের বাবার নাম শফিকুল ইসলাম। গাইবান্ধার পলাশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রাসেল রাজধানীর আদাবর এলাকার সুনিবিড় হাউজিংয়ে থেকে স্থানীয় একটি ‘রেন্ট-এ-কার’ প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেটকার চালাতেন।

রাসেলের বাম পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনায় গাইবান্ধার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি রিট আবেদন করেন। এই রিট আবেদনে হাইকোর্ট ওই বছরের ১৪ মে রুল জারি করেন। রুলে কেন রাসেলকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।

পরে এক আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এক আদেশে রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দেন। প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা করে দিতে বলা হয়। এই নির্দেশের পর এ পর্যন্ত সাড়ে ১৩ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ। গত ৫ মার্চ এই রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog