1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের খুটাখালীতে ঈদের বাজারে গলাকাটা বাণিজ্যে

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ জুন, ২০১৬
  • ৩৪৪ বার

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার ) প্রতিনিধি ২৭ জুন, ০১৮১৮ ১২৫৪০০
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। বাজারে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভীড়। গতকাল ২৭ জুন খুটাখালী বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি জুতা ও কাপড়ের দোকানে ক্রেতারদের ভীড় চোখে পড়ার মত। বিক্রির ধুম পড়েছে দোকানগুলোতে। কারো সাথে দ্বিতীয়বার কথা বলা সুযোগ হচ্ছে না দোকানীদের। দরকষাকষির সুযোগ দিচ্ছেনা বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। পছন্দ হলেই হাকাচ্ছে ২ গুণ পর্যন্ত দাম। বাধ্য হয়েই কিনছে পছন্দের পণ্য। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচা-কেনা। বাজারে স্টোরে ছোট বাচ্চাদের পছন্দের একজোড়া জুতার দাম হাকা হচ্ছে ৫ শত থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। আবুল হোছাইন নামের এক ক্রেতা বললেন পছন্দের প্রায় সব জুতা পাওয়া যায় এখানে। তাই একটু দাম বেশী।
ক্রেতারা অভিযোগ করে বলেছে, একই জুতা অন্য দোকানে আরো কম দামে পাওয়া যায়। মোটামোটি স্বচ্ছল পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের এ দামে জুতা জোড়া কিনে দিতে পারলেও নি¤œ ও মধ্য আয়ের পরিবারের সন্তানরা শুধু দেখেই নজর জোড়াচ্ছে। সুমাইয়া নামের এক মহিলা ক্রেতা মেয়েকে নিয়ে জুতা কিনতে এসে ফিরে যাওয়ার পথে তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা গরীব মানুষ, মেয়েকে ঈদের জুতো কিনে দেব বলে ৫’শ টাকা ধার নিয়ে বাজারে এসেছি। কিন্তু বিক্রেতা আমাকে বলেছে এ টাকা দিয়ে নাকি জুতার তলাও পাওয়া যাবেনা। তাই হতাশ হয়ে চলে যাচ্ছি। ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের আলম জানালেন, তার দোকানে ৩’শ টাকা থেকে পাঁচ’শ টাকার মধ্যে ক্রেতারা তাদের পছন্দের জুতা জোড়া কিনে নিতে পারবেন। তবে ক্রেতারা বলছেন ঈদকে সামনে রেখে সুযোগ বুঝে গলাকাটা বাণিজ্য করছে ব্যবসায়ীরা। কাপড়ের দোকানগুলোতেও দেখা গেছে একই ধরনের চিত্র । ক্রেতাদের জন্য পা ফেলা যাচ্ছেনা দোকানগুলোতে। দোকানদার বললেন, পুরুষ ক্রেতার তুলনায় মেয়ে ক্রেতার সংখ্যাই বেশী বলে পণ্য বিক্রির চেয়ে চুরির ঘটনা বেশী ঘটে । বাজারের আব্বাস জানান, তার দোকানে রয়েছে নি¤œ ও মধ্যবিত্বসহ সকল পেশা ও শ্রেণির পরিবারের জন্য বিভিন্ন কালেকশনের বস্ত্রের সমাহার। কাউকে দামের কারনে কাপড় না কিনে ফিরে যেতে হবেনা বলে জানালেন তিনি। তবে এখানে অনেকও কাপড় ক্রেতা অভিযোগ করেছেন গলাকাটা বাণিজ্য হচ্ছে বলে। এক ক্রেতা জানালেন, এখানে একটি ছোট বাচ্চার জামার দাম হাকা হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত। ইচ্ছেমত দাম না হাকিয়ে একটু কম লাভ করে সাধ্যের মধ্যে বেঁচা-বিক্রি করলে ক্রেতাদের মন খারাপ করে বাড়ি ফিরতে হবেনা, বললেন দক্ষিণ ফুলছড়ি বাঁশকাটা থেকে কাপড় কিনতে আসা আনোয়ার। তবে অনেকেই বাজারে নিত্যপন্যের উপর অতিরিক্ত দামের চাপ কমাতে প্রশাসনের সু-নজর কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জানান, ঈদ উপলক্ষে বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করে ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিং করা হয়েছে।

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog