1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha : Sardar Dhaka
  2. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
  3. rafiqul@mohajog.com : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  4. sardar@mohajog.com : Shahjahan Sardar : Shahjahan Sardar
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

আসছে মডেল ফার্মেসি, ভেজাল ওষুধ আর নয়

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৩৫ বার

ঢাকা: ভেজাল ও নিম্ন মানের ওষুধ বিক্রি বন্ধে এবার ফার্মেসি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এক্ষেত্রে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর সারাদেশে ‘মডেল ফার্মেসি’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রাজধানী, বিভাগ ও জেলা ভিত্তিক এসব ফার্মেসি স্থাপনের পাইলটিংয়ের কাজ শেষ করা হবে। এক্ষেত্রে আগামী দু’মাসের মধ্যে কাজ শুরু করবে ওষুধ প্রশাসন।

প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বুধবার (১০ আগস্ট) তার মহাখালীর দফতরে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘এ’ ক্যাটাগরিতে সফিসটিকেটেড ওষুধ থাকবে, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে সাধারণ ওষুধ থাকবে। এক্ষেত্রে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রিধারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে। এজন্য তাদের যথাযথ সম্মানির ব্যবস্থাও করা হবে। আর এটা বাস্তবায়ন পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে করা হবে।

রাজধানীতে ৪০-৫০টি, বিভাগে ১৫০ থেকে ২০০টি এবং জেলায় ২ হাজার মডেল ফার্মেসি স্থাপন করা হবে-যোগ করেন তিনি।
 মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে একটি নীতিমালা করা হয়েছে। এতে ফার্মেসিগুলোতে কেমন ডেকোরেশন থাকবে, কতগুলো ফ্রিজ বা এসি থাকবে, ক্রেতাদের ব্রিফ করার জায়গা কোথায় কতটুকু থাকবে এবং ফার্মেসির আকার কেমন হবে তা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া মডেল ফার্মেসিতে কেবল সরকার অনুমোদিত আসল ও মানসম্মত ওষুধ বিক্রি করা হবে।

তিনি আরো বলেন, মডেল ফার্মেসিগুলো সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের মধ্যে থাকবে। এতে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে মান নিশ্চিত হবে। ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি এতে বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে কোনো অসাধু ব্যক্তি বা ফার্মেসি চাইলেই ভেজাল বা নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না। কেননা, সবাই মডেল ফার্মেসিতে গেলে তাদেরও এ ধরনের উদ্যোগের মধ্যে আসতে হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দেশে মোট ড্রাগ লাইসেন্সের সংখ্যা ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৪২টি। আর লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসির সংখ্যা ৯ হাজার ৮০৫টি। জুন মাসের হিসাব অনুযায়ী, নতুন লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে ৪৪টি, নবায়ন হয়েছে ৩ হাজার১৮টি।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ড্রাগ কোর্টে মামলা করা হয়েছে ১১টি, আর মোবাইল কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে ১৭২টি। জরিমানা করা হয়েছে ৯০ লাখ ৫৪ হাজার ৫শ কোটি টাকা। আর ৯ লাখা ৭১ হাজার ৫৬৬ টাকার ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ইতিমধ্যে ২০ কোম্পানির সব ধরনের ওষুধ ও ১৪টি কোম্পানির সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠান ও ওষুধের নাম যে কোনো সময় প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং র‌্যাবের মহাপরিচালককে পাঠানো হবে। এছাড়া প্রতিটি ফার্মেসিতে সেগুলো টানিয়ে রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হবে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 Mohajog