1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha : Sardar Dhaka
  2. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
  3. rafiqul@mohajog.com : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  4. sardar@mohajog.com : Shahjahan Sardar : Shahjahan Sardar
সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন

টিকিট প্রাপ্তি নিশ্চিত করুন

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৫১ বার

ঈদে নাড়ির টানে যারা বাড়ি যান তাদের কাছে খুব কাঙ্খিত বিষয় হচ্ছে বাস, লঞ্চ, বা ট্রেনের টিকিটের সহজ প্রাপ্তি। ঘরমুখোদের এ স্বাভাবিক প্রত্যাশা থাকলেও প্রাপ্তির বেলায় এর বিস্তর ব্যবধান ঘটে। অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু না হতেই পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়। রাতভর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টিকিট পাওয়া যায় না। অথচ বেশি দামে সেই টিকিটই কালোবাজারিতে পাওয়া যায়। ফি বছর এ অবস্থা চললেও এ বছর তা থেকে উত্তরণ ঘটবে বলে আশা করা যায়। সেজন্য কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৯শে আগস্ট থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ওই দিন ৭ সেপ্টেম্বরের ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। ৮ সেপ্টেম্বরের টিকিট পাওয়া যাবে  ৩০ শে আগস্ট, ৯ সেপ্টেম্বরের টিকিট মিলবে ৩১ আগস্ট, ১ সেপ্টেম্বর পাওয়া যাবে ১০ সেপ্টেম্বরের, ২ সেপ্টেম্বর পাওয়া যাবে ১১ সেপ্টেম্বরের টিকিট। ১২ সেপ্টেম্বর পবিত্র ঈদুল আজহা হতে পারে এমনটি হিসাব করে এই টিকিট বিক্রির সূচি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে রাজধানীর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল গাবতলীতে বাসের এই অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

অতীত অভিজ্ঞতা হচ্ছে, বিক্রির শুরুর দিনই টিকিট সংকট দেখা দেয়। ট্রেন, লঞ্চ, বাস সবক্ষেত্রেই একই অভিযোগ। ট্রেনে কোটা পদ্ধতির কারণে সাধারণ যাত্রীরা বঞ্চিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভিআইপিসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ দেওয়া টিকিট নিজেরাই কিনে নিয়ে উচ্চ দামে তা যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে। এছাড়া টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ তো অনেক পুরনো। দেখা যায় সারারাত টিকিটের জন্য অপেক্ষা করেও যাত্রীরা টিকিট পায় না। আবার বেশি মূল্য দিলেই ভিন্ন পথে তা পাওয়া যায়। এই কালোবাজারি বন্ধ করতে হবে। যাত্রীরা যাতে সহজেই টিকিট পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে এ জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালাতে হবে। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় রোধ করতে হবে।  এছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইনের ব্যাপারে। ফিটনেসবিহীন লঞ্চ যাতে চলতে না পারে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করাও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এক্ষেত্রে যাত্রী সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি।

দূরপাল্লার বাসগুলো যাতে ঈদের সময় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে ব্যাপারেও কর্তৃপক্ষকে নজরদারি চালাতে হবে। অননুমোদিত বাস চলাচলের ব্যাপারেও দৃষ্টি দিতে হবে। কারণ ঈদে মুনাফার লোভে লোকাল বাসও হাইওয়েতে চলে। এগুলোর ফিটনেস না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই রাস্তায় বিকল হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তা থেকে নষ্ট বাস সরানোর তেমন কোনো ব্যবস্থা থাকে না। এ কারণে দেখা দেয় তীব্র যানজট।

বিপুল সংখ্যক মানুষ যারা মাটির টানে প্রিয়জনের সান্নিধ্যে ঈদ করতে গ্রামে যাবেন তাদের আনন্দ যেন যাত্রাপথের ভোগান্তিতে নষ্ট না হয়ে যায় সেইদিকে নজর দেওয়াই এখনকার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। এ ব্যাপারে কোনো উদাসীনতা কাম্য নয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 Mohajog