1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha : Sardar Dhaka
  2. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
  3. rafiqul@mohajog.com : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  4. sardar@mohajog.com : Shahjahan Sardar : Shahjahan Sardar
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

নির্যাতনের কথা অস্বীকার করলো শাহাদাতের গৃহকর্মী

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৩২ বার

‘ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান ওরফে নিত্য শাহাদাত আমাকে কোনো নির্যাতন করেননি। তারা আমাকে খুন্তির ছ্যাঁকাও দেননি। আর মামলার বিষয় আমি কিছুই জানি না।’

বুধবার আদালতে সাক্ষ্যপ্রদান করে শিশু গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপী। হ্যাপীর মামা সোহাগও এদিন মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেন। তিনিও তার ভাগ্নিকে নির্যাতনের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

তাদের সাক্ষ্য ও জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক তানজিলা ইসলাম।

এর আগে ২০১৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম স্নিগ্ধা চক্রবর্তীর আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দিতে হ্যাপী তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বলে,‘ক্রিকেটার শাহাদাত তার গলায় পারা দিয়ে রাখত, যাতে চিৎকারের কোনো শব্দ বের না হয়। আর তার স্ত্রী প্রতিদিন লাঠি, পানির বোতল ও বেলন- হাতের কাছে যখন যা পেত তাই দিয়েই পেটাত। মারধর করার পর আমার শরীর থেকে রক্ত বের হতো। ওরা তখন আমার ক্ষতস্থানে বরফ লাগিয়ে দিত। যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে বরফ সরাতে বললে ওরা আবার পেটাত। ব্যথা সহ্য করতে না পেরে কান্না করতে থাকতাম।’

২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপীকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান ওরফে নিত্য শাহাদাতের বিরুদ্ধে সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলাটি করেন।

একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতের মিরপুর থানার জিআর শাখায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান ক্রিকেটার শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বলা হয়, গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপীকে ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান মারধর করে তার পা ও হাতের আঙুল ভেঙে দিয়েছেন। সে যেন বাসা থেকে পালাতে না পারে, সেজন্য এক বছর ধরে তাকে বাথরুমে ঘুমাতে বাধ্য করা হয়। শাহাদাতকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করেন তিনি।

নির্যাতনের শিকার মাহফুজা আক্তার হ্যাপীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তদন্তে শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। চার্জশিটে শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪-এর (২) খ ধারায় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়।

২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক তানজিলা ইসলাম ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান ওরফে নিত্য শাহাদাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 Mohajog