1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০১:১০ পূর্বাহ্ন

ভারতে ঢুকে সার্জিক্যাল হামলায় ৩০ সেনা নিহতের দাবি

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ৪১ বার

প্রতিবেদক : ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকে একটি ‘সাজ্যিক্যাল’ হামলা চালিয়ে ৩০ ভারতীয় সেনাকে হত্যার পর নিরাপদে সরে যাওয়ার দাবি করেছে পাকিস্তানি ভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা (এলইটি)।

এলইটি প্রধান হাফিজ সাঈদ বলেছেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিক্যাল’ হামলা চালিয়েছিলেন বলে বাগাড়ম্বর করেছিলেন। কিন্তু আখনুরে ভারতীয় সেনা শিবিরে চারজন যোদ্ধা হামলা চালিয়ে প্রকৃত ‘সার্জিক্যাল’ হামলা চালিয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

গত সোমবার জম্মুর আখুনর মহকুমায় ভারত-পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখার (লাইন অব কন্ট্রোল) দুই কিলোমিটার দূরবর্তী জেনারেল রিজার্ভ ইঞ্জিনিয়ার ফোর্সের (জিআরইএফ) ক্যাম্পে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জিআরইএফের ৩ জন অস্থায়ী শ্রমিক নিহত এবং একজন আহত হন।

কিন্তু পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফ্ফরাবাদে গত বুধবার জামায়াত-উদ-দাওয়ার কর্মীদের সভায় দেয়া রেকর্ডকৃত ভাষণে এলইটি প্রধান হাফিজ আখনুরে ‘সাজ্যিক্যাল’ হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন।

সাঈদ বলেন, আমি একটি সাম্প্রতিক ঘটনার কথা বলছি। বেশিদিন আগের কথা নয়। গত পরশু (সোমবার) বিকালে এ ঘটনা ঘটেছে। জম্মুর আখুনুরের সেনাক্যাম্পে ঢুকেছিল চারজন তরুণ।

দুই মিনিটেরও কিছুটা দীর্ঘ বক্তৃতায় এলইটি প্রধান বলেন, তরুণরা সেনাক্যাম্পে ঢোকার পর ভারতীয় সেনাদের ১০টি ছাউনি ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর চার তরুণই নিরাপদে ফিরে আসে। তাদের কেউই আহত হয়নি। এটাই প্রকৃত সার্জিক্যাল হামলা।

তবে হামলাকারীরা এলইটির সদস্য কিনা তা স্পষ্ট করে বলেননি সাঈদ। তবে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে উরিতে ভারতীয় সেনাদের ওপর হামলার পর সার্জিক্যাল হামলা চালানোর দাবির পাল্টা জবাব হিসেবে আখনুরে হামলা চালানো হয়েছে।

সাইদ বলেন, ‘মোদি সার্জিক্যাল হামলার কথা বলেছেন, আমি মোদির কথার জবাব দিয়েছি। নওয়াজ শরীফ মোদির কথার জবাব দেননি, আল্লাহর শোকরিয়া যে আমি মোদিকে জবাব দিয়েছি। আর মোদি অন্য কারও নয়, আমার জবাবকেই গ্রহণ করেছেন।

লস্কর প্রধান বলেন, ‘ আমি ‌মোদিকে বলেছি আপনি ভুয়া দাবি করছেন। ভারতীয় সেনাদের হেলিকপ্টার থেকে নামিয়ে তারা একটি ছবি তৈরি করেছিল। আর ভারত জাকজমকপূর্ণ ছবি তৈরিতে বেশ দক্ষ। ছবি এক জিনিশ আর যুদ্ধ আরেক জিনিশ। তারা সীমান্ত অতিক্রম করে এলইটির ৪০ জন জওয়ানকে হত্যা করে ফিরে যাওয়ার ছবি তৈরি করেছে এটি ছিল নাটক, বিশ্বকে বোকা জানানোর জন্য এই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, কিন্তু ভুয়া দাবি করে আপনারাই সুযোগ করে দিয়েছেন আর মুজাহিদরা আপনাদের টের পাওয়াচ্ছেন যে প্রকৃত সার্জিক্যাল হামলা আসলে কী। আমি আপনাদের মাত্র দুদিন আগের সার্জিক্যাল হামলার কথা বলছি, এটি জম্মুর মতো জায়গায় করা হয়েছে যেখানে নাকি কেউ ঢুকারও সাহস করে না। চারজন যোদ্ধা সেনাক্যাম্পে ঢুকে দশটি কক্ষ ধ্বংস করে দিয়েছে এবং ৩০ জন সেনা নিহত হয়েছে। ক্যাম্প ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে তারা চারজনই নিরাপদে ফিরে এসেছে।

হাফিজ সাঈদকে ২০০৮ সালের নভেম্বর মুম্বাইয়ে হামলা চালিয়ে ১৬৬ জনকে নিহতের ঘটনার ‘মূলহোতা’ বলে অভিযোগ করে আসছে ভারত। তারা সাঈদকে ফেরার ঘোষণা করে ধরার চেষ্টা করে আসছে। তবে ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রে হামলার ঘটনার পর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য পাকিস্তানে গৃহবন্দি ছিলেন তিনি। পরে লাহোরের হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তি পান তিনি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog