1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০১:০৬ অপরাহ্ন

এক বিলিয়ন ডলার বাড়তি ঋণ সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ১০৩ বার

প্রতিবেদক : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আইডা (ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন) আগামী তিন বছরে আগের চেয়ে এক বিলিয়ন ডলার বেশি ঋণ সহায়তা দেবে। এর ফলে আগামী জুলাই থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য তিন বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা পাবে সরকার।
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী। এ সময় বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে আলোচনা ছাড়াও বাংলাদেশে ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি বিষয়েও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির টাকা নিয়ে বাহাদুরি করছে। কিন্তু, এটা তারা করতে পারে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদের চাপ প্রদান অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ফিলিপাইনের ব্যাংকটির সঙ্গে রিজার্ভের বাকি টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়টির চূড়ান্ত সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না। কারণ, বিষয়টি নিষ্পত্তির আগে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলে অন্যরা সুযোগ নিতে পারে।’
এদিকে, সোমবার সকালে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিনিয়াও ফানের নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কর্মকর্তারা সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এ বিষয়ে বিকেলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আইডা ফান্ডের মেয়াদ ২০১৭ সালের জুন মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে। আইডা থেকে পরবর্তী তিন বছরে ঋণ নেওয়ার বিষয়েই বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা বলেছেন, আইডার মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য বাংলাদেশকে অতিরিক্ত এক বিলিয়ন ডলার বাড়তি ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে। ফলে দুই বিলিয়ন ডলারের পরিবর্তে তিন বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা পাবে বাংলাদেশ।

অর্থমন্ত্রী জানান, আইডার চলতি মেয়াদ আগামী জুনে শেষ হয়ে যাবে। তার আগেই অবশিষ্ট ৫ মাসের জন্য আমরা বর্ধিত সুদে ৫শ’ মিলিয়ন ডলার ঋণ চেয়েছিলাম। কিন্তু, খাতগুলো সুনির্দিষ্ট না থাকায় বিশ্ব ব্যাংক বলেছে এটা সম্ভব নয়।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এর পরিবর্তে বিশ্বব্যাংক নিজেই একটা প্রস্তাব দিয়েছে আমাদের। তারা এলজিইডি খাতে তিনশ’ মিলিয়ন ডলার আর হাউজিং খাতে তিনশ’ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি ব্যাংকিং খাত সংস্কার ইস্যুতেও তারা ঋণ সহায়তা দিতে চায়। তবে এর পরিমাণ জানানো হয়নি। এজন্য যৌথভাবে রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। যদি এটা এই সময়ে সম্ভব না হয় তাহলে আইডার আগামী প্রান্তিকে যুক্ত হবে।’

উল্লেখ্য, আইডা হচ্ছে বিশ্বব্যাংকের নেওয়া গরিব রাষ্ট্রগুলোর জন্য ঋণ প্রকল্প। আইডার মাধ্যমে স্বল্প সুদে ঋণ দেয় তারা। রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে প্রতি তিন বছর পর পর আইডা থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে চুক্তি হয়।

এর আগে সকালে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিনিয়াও ফান সাংবাদিকদের জানান, ‘এটি ছিল নিয়মিত সাক্ষাৎ। এ বৈঠকে তবে আইডার বিষয়ে কথা হয়েছে। আমরা অর্থমন্ত্রীকে বলেছি, বিশ্বব্যাংক আইডা থেকে যে সহায়তা দেয় তা গত বছরের চেয়ে আগামী বছরগুলোতে বাড়বে। তবে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের বিশেষত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংকগুলোয় এনপিএল (নন পারফর্মিং লোন কুঋণ বা খেলাপি ঋণ) অত্যন্ত বেশি। এটি কমিয়ে আনতে হবে। বিষয়গুলো কীভাবে করা যায় সেজন্য আমরা সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবো।’

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog