1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

ভ্যাট অর্ধেক করার দাবি এফবিসিসিআই সভাপতির

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ১৪১ বার

প্রতিবেদক : অনলাইনে ভ্যাট আদায়ের শুরুর দিন থেকেই ভোক্তাদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য এই কর ১৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ।
এর সঙ্গে অনলাইনে ভ্যাট আদায়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে ইসিআর মেশিন সরবরাহের কথাও বলেছেন তিনি। ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে করদাতা উদ্বুদ্ধকরণ’ বিষয়ক এক সেমিনারে বক্তব্যে তিনি এসব দাবি জানান।

মঙ্গলবার রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ঢাকা উত্তর কর কমিশনের উদ্যোগে এ সেমিনার হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন। সেমিনারে জানানো হয়, আগামী ১ জুলাই থেকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২’ বাস্তবায়ন শুরু হবে। অর্থাৎ ওই দিন থেকে গ্রাহক পর্য়ায়ে অনলাইনে ভ্যাট আদায় করা হবে।

মাতলুব আহমাদ বলেন, “ব্যবসায়ীরা ভ্যাট অনলাইন চায়। আমরা ফেডারেশন থেকেও চাই। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের রশিদে যখন আমরা ১৫ শতাংশ ভ্যাট নেব আল্টিমেটলি এটা অনেক বেশি হয়ে যাবে।”

এনবিআর চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমি আগেও বলেছি এখন আবারও বিনয়ের সঙ্গে বলছি ভ্যাট ১৫ থেকে ৭ শতাংশে নিয়ে আসতে হবে।

“আপনি যখনই ১৫ থেকে ৭ শতাংশে নিয়ে আসবেন তখন ভ্যাট না দেওয়ার যে প্রবণতা, তা থেকে মানুষ বেরিয়ে আসবে।”

ভ্যাট কর্মকর্তারা ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছেন, এমন অভিযোগ তুলে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, “এখনও এনবিআরের ভ্যাট অফিসাররা এখনও অনেক দোকনে গিয়ে খাতাপত্র টান দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, হয়রানি করছেন।

“উনাদের আমি বারবার বলেছি আপনার একটা সিস্টেম থাকা উচিত। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে একজন কমিশনারের একটি আদেশপত্র থাকবে। সেই আদেশ দেখিয়ে বলবে যে, আমি এই আদেশের কারণে আপনার খাতাপত্র নিয়ে যাচ্ছি। তাকে যদি খুশি করা যায় তাহলে কিন্তু খাতাপত্র ফেরত পাওয়া যায়।”

এসময় তিনি এফবিসিসিআইর সঙ্গে একটি হটলাইন চালু করার প্রস্তাব করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর মো. নজিবুর রহমান বলেন, “কোনো ব্যবসায়ী বা করদাতা যদি হয়রানির শিকার হন তারা যেন ইমেইল করে এনবিআরকে জানান।

“শিগগির এনবিআরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম বা ঠিকানা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সবাইকে জানানো হবে। হটলাইনে আপনারা এনবিআরকে পরামর্শ দেন।”

তিনি বলেন, “আমরা রাজস্ব আহরণ শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক নয়, উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত করজাল বিস্তৃত করতে কাজ করছি। এজন্য আমরা উপজেলা সফর শুরু করেছি। আমি দেখেছি মানুষ সরকারকে কর দিতে চায়।”

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আবুল কাশেম খান ও এনবিআরের সদস্যরা।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog