1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন

‘ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে’

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৮৬ বার

প্রতিবেদক: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গারা আশ্রয় শিবিরে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের ঠেঙ্গারচরে স্থানান্তর করার আগে সেখানে বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ অন্যত্র সরানোর আগে সেখানে সব ধরনের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আজ শনিবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় পৃথক তিনটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ দাবি করেন।

তিনি আরো বলেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ তৈরিতে জনমত গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গারা কষ্টে দিন অতিবাহিত করছে।

রিয়াজুল হক বলেন, ‘মিয়ানমারের মিলিটারি ও পুলিশ দ্বারা রোহিঙ্গারা নির্যাতিত হচ্ছে, এটি অত্যন্ত লজ্জার ও দুঃখজনক। বাঙালি হিসেবে আখ্যায়িত করে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্যাতন করছে মিয়ানমার সরকার। বাংলাদেশ সরকারের উচিত বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের সে দেশে স্থায়ীভাবে নাগরিকত্ব দিতে মিয়ানমার সরকারকে বাধ্য করা।

এ সময় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করে দেখেও না দেখার ভান করে রোহিঙ্গাদের দেশে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে। রোহিঙ্গা চাপ শুধু আজকে নয়; দীর্ঘদিন ধরে বহন করছে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের মতো এত জনবহুল দেশের পক্ষে এটা অসম্ভব হয়ে উঠছে। তারপরও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় তাদের প্রাথমিকভাবে বাঁচার জন্য যা প্রয়োজন, তা সহায়তা করছে। কিন্তু এই সহায়তা যথেষ্ট নয়।

তিনি আরো বলেন, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিকভাবে দেনদরবার করে যেসব দেশের আয়তন বড় সেসব দেশে রোহিঙ্গাদের ‘থার্ট কান্ট্রি রিসেটেলমেন্ট’ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও ইউরোপ অন্যতম।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে কমিশনের চেয়ারম্যান উখিয়ার কুতুপালংয়ে অবস্থিত অনিবন্ধিত ও নিবন্ধিত দুটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে দুপুর ১২টার দিকে উখিয়ার বালুখালী অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে যান। শিবিরগুলো পরিদর্শনের সময় তিনি অন্তত ৪৫ জন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখে সে দেশের সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের বর্ণনা শুনে হতবাক হন তিনি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog