1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

বিদেশে কর্মসংস্থান : পুরুষদের ৯০ শতাংশই দুর্নীতির শিকার

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০১৭
  • ৫৭ বার

প্রতিবেদক : বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সুশাসনের প্রচণ্ড অভাব রয়েছে বলে মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংগঠনটির মতে, বাংলাদেশ থেকে বিদেশগামী পুরুষদের ৯০ শতাংশই দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার। আর ভিসা বা চাহিদাপত্র কিনতে শুধু ২০১৬ সালেই ৫ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে ‘শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সুশাসন: সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের প্রক্রিয়াটি জটিল। এখানে দালালদের প্রাধান্য বেশি। প্রতিবেশী যেকোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশিদের বিদেশ যেতে বেশি খরচ হয়। বাংলাদেশ এবং গন্তব্য দেশ—দুই জায়গাতেই ভিসা কেনাবেচা হয় উল্লেখ করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০১৬ সালে সৌদি আরব, বাহরাইন, ওমান, কাতার, আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে ভিসা কিনতে ৫ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। হুন্ডি বা অন্য কোনোভাবে এই টাকা সেখানে পাচার হয়েছে।

এর আগে প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে গিয়ে টিআইবির দুই গবেষক মনজুর-ই-খোদা ও শাহজাদা এম আকরাম বলেন, বাংলাদেশিরা যেকোনো মূল্যে ভিসা ক্রয় করতে চায়। সরকারের লাইসেন্স পাওয়া জনশক্তি রপ্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিদেশগামীদের সরাসরি যোগাযোগ নেই বলে দালালেরাই তৃণমূল নিয়ন্ত্রণ করেছন। নারীদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত টাকা লাগে না, কিন্তু তাঁদের অনেকের কাছ থেকেও দালালেরা ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব থেকে নিয়োগদাতারা ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় ভিসা কিনে আনলেও নানা হাত বদল হয়ে সাধারণ মানুষকে ৫ থেকে ১২ লাখ টাকায় যেতে হয়। একইভাবে বাহরাইন, ওমান, কাতার, আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর যেতে আড়াই লাখ থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত লাগে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র আনতে মন্ত্রণালয়ে গেলে সেখানে দলীয় ভিসার ক্ষেত্রে ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইিট) ছাড়পত্র নিতে গেলেও ন্যূনতম ১০০ থেকে ২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এ ছাড়া পুলিশের ছাড়পত্রের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা নেয় থানা-পুলিশ। এর বাইরে মালয়েশিয়ার জন্য ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে।

অভিবাসন খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে আইনের সংস্কার, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু, দালালদের জবাবদিহি, দলীয় ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতির ব্যবস্থা বাতিলসহ নয় দফা সুপারিশ করা হয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog