1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন

কনফিডেন্স ও ডরিনের পাওয়ার প্ল্যান্টের অনুমোদন

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৮৮ বার

প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমসের তিনটিসহ নতুন সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি।

বুধবার চলতি বছরের ৫০তম সভায় নতুন এই কেন্দ্রগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র সাতটির সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৭৮৭ মেগাওয়াট।বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ফার্নেস তেলে পরিচালিত হবে।নির্মাণের পর ১৫ বছর পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুত কিনবে সরকার।

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রংপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি হবে ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার। এখান থেকে সরকার প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ২০ পয়সা দরে বিদ্যুত কিনবে। ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরকার বিদ্যুৎ কিনবে ৮টা ২১ পয়সা দরে। ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার বগুড়া বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরকার বিদ্যুৎ নিবে ৮ টাকা ২৪ পয়সায়। চাঁদপুরের ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরকার বিদ্যুৎ নিবে ৭ টাকা ৯২ পয়সায়।, ১০৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার নারায়নগঞ্জ থেকে ৮টাকা ৯২ পয়সা ও ১১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ফেনি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরকার বিদ্যুৎ নিবে ৮ টাকা ৪০ পয়সা দরে। সবগুলোই হচ্ছে আইপিপি বা স্বতন্ত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র।

কেন্দ্রগুলোর মধ্যে চাঁদপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনা করবে ডরিন পাওয়ার ও ডরিন পাওয়ার হাউজ। রংপুর ও বগুড়া বিদ্যুৎকেন্দ্র দুটির মালিক কনফিডেন্স সিমেন্ট ও কনফিডেন্স স্টিল লিমিটেড।

এর আগে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলেও তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রস্তাব ক্রয় কমিটিতে পাঠায়নি বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সাল নাগাদ উত্পাদন শুরুর লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়ে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ১০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের দরপত্র আহ্বান করে বিপিডিবি। ২০১৫ সালে ডলারের বিপরীতে ৭৮ টাকা ৬৬ পয়সা বিনিময় হার ধরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দর ১০ দশমিক ৪৩ সেন্ট ধার্য করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডলারের বর্তমান বিনিময় হার হিসাব করে দর প্রস্তাব করে দেশি বেশ কয়েকটি কোম্পানি। কয়েকটি বিদেশি কোম্পানিও দর প্রস্তাব করেছিল।

ওই সব কোম্পানি থেকে বাছাই করে গত নভেম্বরে ছয়টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য একটি প্রাথমিক তালিকা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আরেকটি কেন্দ্রের জন্য প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হয়। সর্বশেষ ৮ ডিসেম্বর বাকি তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্যও সর্বনিম্ন দর প্রস্তাবকারীদের বাছাই করা হয়। কিন্তু তিনটি কোম্পানির আগের পারফরম্যান্স ভালো নয় এমন অজুহাতে তালিকা থেকে তিনটি কেন্দ্রের নাম বাদ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog