1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিস্ফোরক পোঁতা, সরাতে কাজ করবে উভয় দেশ

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৫৯ বার

প্রতিবেদক: বাংলাদেশ-মিয়ানমার শূন্য লাইনের আশপাশে আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা হাতে তৈরি বোমা-গ্রেনেড) ও মাইন পুঁতে রাখা আছে সেসব অপসারণে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

বৃহস্পতিবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনিসুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সম্মেলনে সুষ্ঠু সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দুই বাহিনীর কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে কারা সেসব বিস্ফোরক পুঁতে রেখেছে তা তিনি স্পস্ট করেননি। তিনি বলেন, ওই সব জায়গায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো পৌঁছাতে পারেনি।

মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পাহাড়, জঙ্গল, টিলাবেষ্টিত দুর্গম সীমান্ত এলাকা। সীমান্তের উভয় দিকে শূন্য রেখা থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত এলাকাকে বলা হয় ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’।

দুর্গম ওই এলাকায় মিয়ানমারের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তৎপরতা যেমন আছে, তেমনি চোরাকারবারীরা ওই সীমান্ত ব্যবহার করছে অস্ত্র ও মাদক পাচারের পথ হিসেবে।

আনিছুর জানান, ওই সীমান্তের কাছে থাকা ৪৯টি ইয়াবা কারখানার তালিকা বিজিবির পক্ষ থেকে মিয়ানমার পুলিশকে দেওয়া হয়েছে।

“সফররত প্রতিনিধি দলও ইয়াবা নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে; ইয়াবা রোধে তারাও কাজ করছে বলে আমাদের জানিয়েছে।”

সীমান্ত সম্মেলনে ১৬ সদস্যের বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বে ছিলেন আনিছুর; মিয়ানমারের ছয় সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সেদেশের চিফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মেয়োসেও উইন।

বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, দুই দেশই তাদের ভূমি সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে না দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সীমান্তের কোথাও অপরাধীদের অবস্থানের তথ্য পাওয়া গেলে সমন্বিত অভিযান চালানো হবে।

তিনি জানান, রাখাইনের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক বলে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল তাদের জানিয়েছে। ‘অস্বাভাবিক  পরিস্থিতিতে’ সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারের বাসিন্দাদের বাংলাদেশে ঢুকে পড়া কমাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতেও সম্মত হয়েছে।

“মংডুতে এখন অশান্ত পরিবেশ নেই। গত বছরের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সীমান্তে উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ স্থপন করে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।”

মিয়ানমারের পুলিশ প্রধান মেয়োসেও উইন এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেননি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog