1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha : Sardar Dhaka
  2. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
  3. rafiqul@mohajog.com : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  4. sardar@mohajog.com : Shahjahan Sardar : Shahjahan Sardar
সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ০৯:০২ অপরাহ্ন

‘১৫% ভ্যাট কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে’

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৯৮ বার

প্রতিবেদক: ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম থেকে অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ব্যবসায়ীদের অনুরোধের পরও এখন পর্যন্ত ওই সিদ্ধান্তে অনড় তিনি। কিন্তু ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর হলে দেশের বাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়বে। এতে মূল্যস্ফীতিও বাড়বে।

শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান।

তিনি বলেন, আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৩০ শতাংশের বেশি অবদান রাখে অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত। বেসরকারি খাতের ৭৫ শতাংশই এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর হলে অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৭৫ শতাংশই এসএমই খাতের মাধ্যমে হয়। শিল্প খাতে মোট কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশই এসএমই খাতের। নতুন ভ্যাট আইনের মাধ্যমে খুচরা পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এটি কার্যকর হলে খুচরা পর্যায়ে সব পণ্যের দামই বেড়ে যাবে। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকরের পরিবর্তে ৭ শতাংশ ভ্যাট আদায়ে আবারও সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান।

তিনি বলেন, ভ্যাটের আওতামুক্ত ব্যবসায়ীদের জন্য একটি পৃথক ডাটা বেইজ (ইবিআইএন) গঠন করা যেতে পারে। যাতে প্রকৃত তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবসার ধরন চিহ্নিত করা যায়। এসএমইবান্ধব কর নীতি প্রণয়ন, বিশেষায়িত ও আইসিটি নির্ভর ভ্যাট সাপোর্ট সেন্টার দেশের সর্বত্র প্রতিষ্ঠা করা উচিৎ।

আসন্ন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে ডিসিসিআই-এর সেক্টর ভিত্তিক কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে। প্রস্তাবনাগুলো মধ্যে রয়েছে- শিল্প ও জিডিপির হার ২৯ শতাংশ থেকে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো; শিল্প কর্মসংস্থানের হার ১৮ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো; শিল্পনীতির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন।

আয়কর, আইন ও বিধি সংক্রান্ত প্রস্তাব: পারকুইজটি সীমা সাড়ে ৪ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত করা। নন-ব্যাংকিং চ্যানলেরে মাধ্যমে লনেদনে ৫০ হাজার টাকার পরবর্তে ১ লাখ টাকা করা। নগদ যানবাহন ভাতা ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা প্রদান।

ব্যাক্তি শ্রেণির কর হাররে সীমা প্রস্তাব: প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে শূন্য শতাংশ; ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ১০ শতাংশ; ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ১৫ শতাংশ; ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ২০ শতাংশ এবং এর বেশি আয়ে ২৫ শতাংশ করা।

নীট সম্পদের মূল্যসারর্চাজের হার: ৫ কোটি টাকা র্পযন্ত শূন্য শতাংশ; ৫-১৫ কোটি টাকা মধ্যে ১০ শতাংশ; ১৫-২৫ কোটি টাকার মধ্যে ১৫ শতাংশ; ২৫-৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ২০ শতাংশ এবং ৩৫ কোটি টাকার বেশি হলে ২৫ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করেছে ব্যবসায়ী সংগঠনটি।

এছাড়া অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ মোট জিডিপি-বিনিয়োগের অনুপাত ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে ডিসিসিআই। আগামী অর্থবছরে বাজেট এডিপিতে বরাদ্দ ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেন আবুল কাসেম খান।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 Mohajog