1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

বনানীতে ছাত্রী ধর্ষণ মামলার চার্জশিট দাখিল

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০১৭
  • ১২০ বার

প্রতিবেদক: রাজধানীর বনানীতে রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পরিদর্শক ইসমত আরা এমি।

চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

চার্জশিটে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- সাফাতের বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী।

গত ২৮ মার্চ বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলে বন্ধু সাদমান সাকিফের প্ররোচণায় জন্মদিনের পার্টিতে ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই তরুণী। ঘটনার এক মাসেরও বেশি সময় পর ২ মে রাজধানীর বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন তারা।

পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে দুই তরুণী বলেন, আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম আবদুল হালিম) ঘটনার রাতে তাদের দু’জনকে সারা রাত হোটেলটির দুটি কক্ষে আটকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করে।

সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তারা। ঘটনার দীর্ঘদিন পর অভিযোগের কারণ হিসেবে তারা (দুই তরুণী) সামাজিকভাবে হেয় হবেন ভেবে এতদিন ঘটনাটি গোপন রেখেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।

তারা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে আরও বলেন, ‘সেদিন ধারণকৃত সেই ভিডিও ধর্ষকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশসহ তাদের খুন ও গুম করার হুমকি দিচ্ছে বিধায় তারা থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছেন।’

ওই ঘটনায় সাফাত আহমেদের আরেক বন্ধু সাদমান সাকিফ ছাড়াও সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদকেও দায়ী করা হয়।

এদিকে এ ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশ হলে তোলপাড় শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলায় বনানী থানা পুলিশ ৪ দিনের মাথায় ৬ মে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে।

ধর্ষণ মামলার পর ১১ মে সিলেট থেকে গ্রেফতার হন প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফ।

এর ৪ দিন পর ১৫ মে রাজধানীর নবাবপুর ও গুলশান-১ থেকে র্যাব এবং পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার হন মামলার অপর দুই আসামি সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল এবং বডিগার্ড রহমত ওরফে আবুল কালাম আজাদ।

সর্বশেষ গ্রেফতার হন আলোচিত এ ধর্ষণ মামলার দুই নম্বর আসামি নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম আবদুল হালিম)।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog