1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

সিটিসেলের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে মামলা

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭
  • ৩১৮ বার

প্রতিবেদক : সিটিসেলের নামে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সাড়ে তিনশ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বুধবার রাজধানীর বনানী থানায় করা এই মামলায় বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যানের স্ত্রী নাসরিন খানসহ আরও ১৫ জনকেও আসামি করা হয়েছে।

দুদকের উপ-পরিচালক শেখ আবদুস ছালাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে সংস্থার উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, সিটিসেলের নামে আটটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অনিয়মের মাধ্যমে ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাত করেছেন আসামিরা।

প্রণব ভট্টাচার্য্য বলেন, “মোরশেদ খান ও তার স্ত্রী ছাড়াও পিবিটিএলের কর্মকর্তা ও ব্যাংকগুলোর সংশ্লিষ্টদের আসামি করা হয়েছে মামলায়।”

মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের কোম্পানির নাম প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিটিএল)।

দেনার দায়ে গত বছরই বন্ধ হয়ে যায় সিটিসেল, যে কোম্পানির হাত ধরে বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (বিটিএল) নামে টেলিকম সেবা পরিচালনার লাইসেন্স পায় বর্তমান সিটিসেল। পরের বছর হংকং হাচিসন টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেড এ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে বিটিএল নাম বদলে হয় হাচসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল)।

১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় আবার পরিবর্তন আসে। তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খানের মালিকানাধীন প্যাসিফিক মটরস ও ফারইস্ট টেলিকম মিলে এইচবিটিএল-এর শেয়ার কিনে নেয়। কোম্পানির নাম বদলে হয় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড, ব্র্যান্ডিং শুরু হয় সিটিসেল নামে।

বিএনপি সরকার আমলে এই একটি কোম্পানি একচেটিয়া ব্যবসা করেছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর আরও কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়া হলে তাদের একচেটিয়া ব্যবসার অবসান ঘটে।

এরপর ধুকতে থাকা এই কোম্পানিতে ২০০৪ সালে বিনিয়োগ করে সিঙ্গাপুরের সিংটেল। কিন্তু ব্যবসা আর প্রসার ঘটেনি।

সর্বশেষ তথ‌্য অনুযায়ী, এ কোম্পানির ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক মোরশেদ খানের প্যাসিফিক মোটরস লিমিটেড।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog