1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন

মন্ত্রীদের দাপট রাস্তা সইতে পারে না: ওবায়দুল কাদের

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ জুলাই, ২০১৭
  • ১৭০ বার

প্রতিবেদক : মন্ত্রীসহ ভিআইপিদের গাড়িতে ‘লাল-নীল বাতি’ জ্বালানো ও ঘণ্টা বাজানো বন্ধে মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব তুলবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  রোববার সচিবালয়ে ঈদুল ফিতর নেওয়া কার্যক্রম পর্যালোচনা ও ঈদুল আজহার কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, “অহেতুক লাল-নীল বাতি জ্বালিয়ে চমক সৃষ্টি করার দরকার নেই।… মন্ত্রী সাহেব আসছেন, এই দাপটটা রাস্তা এখন আর সইতে পারবে না- এটি কেবিনেটে উত্থাপন করবো। অনেকে দেশেই (এটা) বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”

সম্প্রতি ভারতের এ ধরনের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা বন্ধ করবো না কেন? লাল-নীল বাতি জ্বালিয়ে দাপট দেখানোর প্রয়োজন নেই।”

১৯ এপ্রিল ভিআইপিদেরসহ সব ধরনের গাড়িতে ‘লাল বাত্তি’ (রেড বিকন) জ্বালানো ১ মে থেকে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের মন্ত্রিসভা। সে জন্য প্রচলিত আইনে সংশোধন আনা হয়।

এই সিদ্ধান্তের আওতায় রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বা লোকসভার স্পিকারও পড়ছেন।

এর কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রটোকল ভেঙে গাড়িতে লাল বাতি না জ্বালিয়েই দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তিনি নিজের গাড়িতে হুটার ব্যবহার করেন না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “গানম্যান বলেছিল, সিগনালে সমস্যা হতে পারে। তবে সাত দিনে আমি দেখেছি, সিগন্যাল কোনো সমস্যা হয় না।”

এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রা কয়েক বছরের তুলনায় এবার স্বস্তিদায়ক ছিল দাবি করে সড়কমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে আমরা রাস্তায় নিয়ম মেনে চলি না, ভিআইপি উল্টোপথে চলি, সামান্য যানজট আমাদের সহ্য হয় না।”

আগামী ঈদ সামনে রেখে এর চেয়ে ভাল ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি বলেন, “যদিও পশুবাহী গাড়ী চলাচলে বাড়তি চাপ থাকবে। আজ থেকে এ বিষয় প্রস্তুতি শুরু হবে কোরবানি ঈদের জন্য।”

মোটরসাইকেলে যারা হেলমেট ব্যবহার করেন না বা তিনজন আরোহী থাকেন- তাদের বেশিরভাগ রাজনৈতিক তরুণ কর্মী বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

“আমাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দকে বলা হয়েছে এ বিষয় নিয়ম মেনে চলতে। এ বিষয়টা বলার পর পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”

নির্বাচনে বিএনপি আমলের মতো সেনাবাহিনী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আমলের মতো নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে হলে সেনাবাহিনীকে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে মোতায়েন করবে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপি চেয়ারপারসন আগামী নির্বাচনের সময় সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন- এ বিষয়ে সাংবাদিকরা মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বেগম জিয়া ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বিএনপি যখন নির্বাচন দিয়েছিল, জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়া তারা যেভাবে সেনাবাহিনীকে ইলেকশনের সময় মোতায়েন করেছিলেন ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিল। ঠিক একইভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন হবে।

“যেটা ইলেকশন কমিশন করবে যেখানে প্রয়োজন, স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েন হবে। এটা আমাদের সংবিধানেও আছে। বেগম জিয়ার এর বাইরে কিছু করেননি।”

শনিবার রাতে দলের এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনের সাতদিন আগে থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “তিনি (খালেদা জিয়া) সাতদিন আগে নয়, এক দিন আগেও কোথাও সেনাবাহিনী দেননি। তার আমলে অনেক ইলেকশন হয়েছে। যেটা নিজে প্র্যাকটিস করেননি সেটা অন্যকে করার উপদেশ কেন দিচ্ছেন?”

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog