1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:০০ অপরাহ্ন

টানা হারের পিছনে ‘ভাইরাস’ দেখছেন সাকিব

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২০৩ বার

গত দুই বছরে ‘বদলে যাওয়া দল’টার এখন ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা! দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা গেল না, সেটির ব্যাখ্যায় সাকিব বলেছেন ‘ভাইরাসে’র কথা! এই ভাইরাসটা ছড়ায় দল টানা হারতে থাকলে। তখন আত্মবিশ্বাস যায় টলে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশটা হয়ে যায় গুমোট।

প্রথম টেস্টে ৩৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হার। দ্বিতীয় টেস্টেতো আরো শোচনীয় অবস্থা। ইনিংস ও ২৫৪ রানের আরও বড় ব্যবধানে হার। আর সেই হারের তিক্ত প্রভাব পড়ল ওয়ানডে সিরিজেও।

প্রথম ওয়ানডেতে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারল টাইগাররা। ধারণা ছিল হয়তো দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। কিন্তু তাতেও পরাজয় হলো ১০৪ রানে। আর তৃতীয় ওয়ানডেতে ২০০ রানের বিশাল হার নিয়ে নতজানু হয়ে মাঠ ছাড়ে মাশরাফিরা।

সেই হারের প্রভাবটা এবার পড়ল টি-টোয়েন্টিতেও। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে লড়ে গেলেও জয়ের হাসি হাসতে পারেনি টাইগাররা। প্রোটিয়াদের কাছে ২০ রানে হেরে যায় তারা। এরপর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও পরাজয়কে বরণ করতে হলো তাদের। দুঃস্বপ্নের সিরিজ শেষ হয় শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৮৩ রানের হার দিয়ে।

পরাজয়ের পর পরাজয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া দলটি নিয়ে এবার কথা বললেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব জানান, হয়তো টেস্টে ব্যর্থতার রেশটাই থেকে গেছে শেষ পর্যন্ত
টানা ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে বাংলাদেশ কেন বের হতে পারেনি, সেটির ব্যাখ্যায় সাকিব বললেন ‘পরাজয়’ নামের ভাইরাসটার কথা, ‘টেস্টে অত ভালো করিনি। ওয়ানডে যখন এসে গেছে টেস্টের রেশটাই (হারের) খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে গিয়েছে। তার পর যখন ওয়ানডে ভালো হলো না ওই রেশটা আবার টি-টোয়েন্টির মধ্যে এল। এটা আসলে ভাইরাসের মতো। একটা থেকে আরেকটাতে ছড়ায়।

ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি যায় হারিয়ে! দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে বাজেভাবে হারের পর সেটির প্রভাব পড়েছে ওয়ানডে সিরিজেও। তলানিতে ঠেকা আত্মবিশ্বাসটা আর হয়নি চাঙা। পরে ধবলধোলাই টি-টোয়েন্টিতেও। এভাবে ম্যাচের পর ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। সফর শেষ হয়েছে তিন সংস্করণে ৭-০ ব্যবধানে হারের লজ্জা নিয়ে!

যদি টেস্টে ভালো করতাম, ওয়ানডেও আরো ভালো করতে পারতাম। তখন টি-টোয়েন্টিও হয়তো ভালো হতো। জায়গাটা এত কঠিন, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ দেখলে বোঝা যায়। জয়ী দলের ড্রেসিংরুমে শুধু জয়ের কথা থাকবে। পরাজিত দলে ব্যক্তিগত বিষয় বা নেতিবাচক অনেক কথা চলে আসে। পরিবেশটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। একজন দুজন ভালো করার চেয়ে দল কেমন খেলল সেটাই আসলে গুরুত্বপূর্ণ।’

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে লড়ে হারের পর আজ আরেকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ম্যাচ দেখার প্রত্যাশা ছিল। ডেভিড মিলারের তাণ্ডবে সেটি হয়নি। তবে সাকিবের চোখে পড়ছে আরও কিছু কারণ, ‘মিলারের ক্লিন হিট অবশ্যই ব্যতিক্রম। ১০ ওভারে ওদের রান ৭৮। ওই সময়েও ৭-৮ রান দিয়ে ফেলেছি বাজে ফিল্ডিংয়ে। ওদের ১৬০-৭০ রানে আটকে রাখার সুযোগ ছিল। আমরা এত বেশি রান দিয়ে ফেলেছি তখন খুবই কঠিন ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর। ২০০-২২০ করলে সেটা তাড়া করব এই মানসিকতা আমাদের এখনো তৈরি হয়নি। আমরা ওইখানেই আছি যে ১৬০-১৭০ বা সর্বোচ্চ ১৮০ করলে হয়তো তাড়া করতে পারব।’

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog