1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha : Sardar Dhaka
  2. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
  3. rafiqul@mohajog.com : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  4. sardar@mohajog.com : Shahjahan Sardar : Shahjahan Sardar
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

বেড়েই চলেছে পেঁয়াজের ঝাঁঝ

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৭
  • ২৮১ বার

চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষ নাগাদ বিদেশি পেঁয়াজের দাম ছিলো ১৫ থেকে ১৮ টাকা। সে সময় দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হতো ২২ থেকে ২৫ টাকায়। মাত্র এক সপ্তাহ পরেই অর্থ্যাৎ আগষ্টের শুরুর দিকে প্রথম দফায় পেঁয়াজের দাম একলাফে বৃদ্ধি পায় কয়েকগুন।

তখন বিদেশি প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়ে দাড়াঁয় ৫০ থেকে ৫২ টাকায়। আর দেশি পেঁয়াজের খুচরা দাম ছিলো প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা।

তখন হঠাৎ পেঁয়াজের দাম এভাবে বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য পরামর্শক আবু সালেহ্ মোহাম্মাদ ইমরান বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়নি, বরং এতোদিন দাম কম ছিলো, এখন বেড়ে তা স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে এই দাম ৬০ টাকা পর্যন্ত স্বাভাবিক।’

তারপর থেকে পেঁয়াজের দাম কমেনি বরং বেড়েছে কয়েকগুন। মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা পর্যন্ত। যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার সম্পূর্ণ বাহিরে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। ফলে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এমন কান্ডজ্ঞ্যানহীন বক্তব্যের কারনেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি কিনা সে প্রশ্নও এখন সাধারণের মাঝে।

এদিকে গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য ছিল দেশীয় মুদ্রায় মাত্র ২২ টাকা। আর দেশের বাজারে পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০-৯৫ টাকায়, যা আমদানি মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। কিছুদিন আগেও যে পেঁয়াজ ছিল ৫০-৫৫ টাকা কেজি তা এক লাফেই বেড়ে এখন ৯০-৯৫ টাকা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদও রয়েছে। তাই দাম বাড়ার বিষয়টি কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। এমনিতেই বাজারে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণের নাগালের বাইরে, তার ওপর পেঁয়াজের দাম বাড়া যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা।

রাজধানীর খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, সিন্ডিকেটের কারণে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি। সিন্ডিকেটধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। টিসিবিকে শক্তিশালী করে একটি বিকল্প বিপণন ব্যবস্থা চালু রাখা গেলে সিন্ডিকেটদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্য কমবে বলে মনে করেন অনেকে। সেই সঙ্গে বাজার মনিটরিং জোরদার রাখতে হবে।

এদিকে রাজধানীর মোহাম্মাদপুর কৃষি মার্কেটে পেঁয়াজের আড়ৎদার মুন্সিগঞ্জ বাণিজ্যালয়ের মালিক মোহাম্মাদ লিটন বলেন, যে হারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, আনুপাতিক হারে খুচরা বিক্রেতারা বাড়িয়েছে তার চেয়ে বেশি। ফলে সরকারের পক্ষ থেকে খুচরা বাজার মনিটরিং বাড়ালে পাইকারি দামের সাথে পেঁয়াজের দামের পার্থক্য কিছুটা কমবে। এতে সাধারণ ভোক্তারা উপকৃত হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৭ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়। এর বাইরে ৫ থেকে ৬ লাখ টন আমদানি করা হয়। যার বেশির ভাগ আসে ভারত থেকে। বছরের শেষ দিকে এসে প্রতিবারই পেঁয়াজের দাম বাড়লেও এবার বেড়েছে অনেক বেশি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023 Mohajog