1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

চীন সফরে যাচ্ছেন অং সান সু চি

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৮১ বার

শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি।কমিউনিস্ট পার্টি অব চীন বেইজিংয়ে বিশ্বনেতাদের এক বৈঠকের আয়োজন করেছে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে তিনি চীন যাচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মায়ানমার’ এ খবর প্রকাশ করেছে।

চীনের সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার খবর অনুযায়ী, বিশ্ব নেতাদের এ বৈঠকটি আগামী ৩০ নভেম্বর শুরু হবে। চলবে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ।

উল্লেখ্য, মায়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনা হলেও চীনের অবস্থান মায়ানমারের পক্ষে। রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাব আটকে দিয়েছিল তারা।

মায়ানমার সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী চীন। মায়ানমারে তাদের বিপুল বিনিয়োগও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সু চির কাছে এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নিপীড়নের দায়ে সেনাবাহিনীর উপর অবরোধ আরোপে মার্কিন সিনেটরদের এক অবরোধ প্রস্তাবে মায়ানমার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দেশটি বলছে অবরোধে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে এবং মায়ানমারের অপরিণত বেসামরিক সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশটির নেতা অং সান সু চির একজন মুখপাত্র একথা বলেন।

বৃহস্পতিবার মায়ানমারের উপর ফের অবরোধ আরোপের প্রস্তাব করেন মার্কিন সিনেটররা। মার্কিন সিনেটে তোলা অবরোধের প্রস্তাবের সমর্থন করেছেন রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী সিনেটর জন ম্যাকেইন ও ডেমোক্রেট সিনেটর বেন কারডিন। প্রতিনিধি পরিষদেও একটি সম্পূরক প্রস্তাব আনা হয়েছে।

ওই প্রস্তাব পাস হলে রোহিঙ্গাদের উপর নৃশংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত মায়ানমারের সেনাকর্মকর্তাদের উপর সুনির্দিষ্ট অবরোধ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হবে। একইসঙ্গে দেশটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ সামরিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।

এমন প্রস্তাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে সূচির ওই মুখপাত্র বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির উন্নতির জন্য আমাদের আভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা দরকার। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ভ্রমণ ও ব্যবসা বিনিয়োগের সঙ্গে জড়িত মানুষদের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। এছাড়া আরো অনেক খারাপ পরিণতি আছে।’

গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর সন্ত্রাসী হামলার পর সেখানে সেনাবাহিনী পাল্টা দমন অভিযান চালাচ্ছে। ওই ঘটনার রাখাইন রাজ্যের গ্রামে গ্রামে নির্বিচারে হত্যা, জ্বালাও-পোড়াওয়ের মধ্যে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ওই অভিযানকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। যদিও মায়ানমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog