1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

নেতানিয়াহুর দাবি নাকচ করলেন ট্রাম্প

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ৩৮ বার

আগামী এক বছরের মধ্যে তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেম শহরে স্থানান্তর করা হচ্ছে বলে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যে দাবি করেছিলেন তা অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুর বক্তব্য নাকচ দেন।

ভারত সফররত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বুধবার সকালে দাবি করেছিলেন, ‘আপনারা যতটা ভাবছেন তার চেয়ে দ্রুতগতিতে অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর করা হবে।’

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তার সরকারের হাতে তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তরের পরিকল্পনা থাকলেও তা আগামী এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন গতমাসে বলেছিলেন, আগামী তিন বছরের আগে দূতাবাস স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না।

গত ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে জেরুজালেমকে ইজরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং তেল আবিব থেকে সেখানে দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুর মিলিয়ে পরে গুয়েতেমালাও জেরুজালেমকে ইজরাইলের রাজধানী ও সেখানে দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা দেয়। যদিও তারা স্থানান্তরের সময় বা মেয়াদ সম্পর্কে কিছু জানায়নি।

গুয়েতেমালা সেই নয় দেশের অন্যতম যারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ট্রাম্পের এই স্বীকৃতির বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছিল।

গত ২১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে জেরুজালেম ইস্যুতে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৭২ দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জেরুজালেমকে ইজরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণাকে ‘বাতিল ও প্রত্যাখ্যান’ করে একটি রেজ্যুলেশন পাস হয়।

জাতিসংঘের ইতিহাসে অভূতপূর্ব এ ঘটনার মাধ্যমে জেরুজালেম ইস্যুতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও চাপকে অগ্রাহ্য করে ফিলিস্তিনের সমর্থনে ভোট দেয় ১২৮টি দেশ। মাত্র নয়টি দেশ ছিল ইজরাইলের পক্ষে। ৩৫টি দেশ ভোট দানে বিরত থাকে।

জাতিসংঘে ভোট পাওয়ার পরও ওই দেশগুলো দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা না দেয়ায় মূলত ইসরাইল তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

জেরুজালেমে ১৩২ ফিলিস্তিনি বাড়ি ধ্বংস করেছে ইসরাইল, শরণার্থী ২৪০
জেরুজালেম খ্যাত বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে গত এক বছরে ১৩২টি ফিলিস্তিনি বাড়ি বা ভবন ধ্বংস করেছে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল। এর ফলে ২৪০ জন ফিলিস্তিনি সহায়-সম্বল হারিয়ে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছেন, যাদের অর্ধেকই শিশু।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘আল-কুদস’ এ খবর জানিয়েছে।

সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০১৭ সালের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এসব ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ইহুদিবাদীরা।

সংস্থাটি আরো জানায়, ফিলিস্তিনি ভূমিতে ২০১৭ সালে ইহুদি বসতি নির্মাণের পরিমাণ ২০১৬ সালের তুলনায় তিনগুণ বৃদ্ধি করেছে দখলদার ইসরাইল।

এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর ফিলিস্তিনের একটি বেসরকারি সংস্থা জানিয়েছিল, ইহুদিবাদী ইসরাইল ২০১৭ সালে জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের ৯০০ হেক্টর ফিলিস্তিনি ভূমি অধিগ্রহণ করেছে। নতুন নতুন ইহুদি বসতি নির্মাণের জন্য এসব ফিলিস্তিনি ভূমি জবরদখল করে তেল আবিব।

আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতিবাদ ও জাতিসংঘের প্রস্তাব লঙ্ঘন করে ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনি ভূমিতে অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ কাজে তেলআবিবের পাশে রয়েছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা। আন্তর্জাতিক আইনে এই বসতি নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog