1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:০৩ অপরাহ্ন

মুচলেকা দিতে হবে বিজিএমইএকে

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮
  • ১২৪ বার

ভবিষ্যতে আর সময় চাইবে না এই মর্মে বিজিএমইএকে মুচলেকা দিতে হবে। মুচলেকা দিলে ভবন ভাঙার জন্য বিজিএমইএর করা এক বছরের সময়ের আবেদন আপিল বিভাগ বিবেচনা করবেন।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

আদালতে বিজিএমইএ-এর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী ও ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিজিএমইএর আইনজীবীকে বলেন, আপনারা তো বারবার আসেন। আপনার নিজেরও তো বিষয়টি নিয়ে আদালতে দাঁড়াতে দ্বিধা হওয়ার কথা। আমাদের লজ্জা লাগে। আদালতের প্রেসটিজ চলে যাবে আর আপনি আপনার ক্লায়েন্টের জন্য আসবেন এটা হতে পারে না।

বিজিএমইএ-এর আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকীকে উদ্দেশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালতের আদেশ পালন করা কী দরকার ছিল না? সময় কতবার নিয়েছেন, এরপর আবার বলবেন আবার আসবেন। বার বার আসতেই থাকবেন।

এ সময় কামরুল হক সিদ্দিকী বলেন, তারা এ পর্যন্ত তিনবার সময়ের আবেদন করেছেন।

বিচারপতি ইমান আলী জানতে চান, ভবন ভাঙতে এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ বিজিএমইএ নিয়েছে।

জবাবে কামরুল বলেন, তারা কার্যালয় সরানোর জন্য জায়গা খুঁজছেন।

এ সময় বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, যে স্টেপ নিয়েছেন তাতে তো পাঁচ বছর লেগে যাবে।

বিজিএমইএ-এর আইনজীবী বলেন, ক্লায়েন্টের জন্যই তো আমাকে সময়ের আবেদন করতে হয়। এটা তো আমার প্রফেশনাল ডিউটি।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রফেশনাল ডিউটি সেকেন্ডারি। প্রথম হচ্ছে আদালতের ডিউটি।

এ পর্যায়ে বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার জানতে চান, বিজিএমইএ ভবন কত বর্গফুটের। জবাবে আইনজীবী বলেন, ৬০ হাজার বর্গফুট।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ৬০ হাজার স্কয়ার ফিটের ভবন কোথাও পাবেন? আর কোর্ট কী অর্ডার বাস্তবায়নের কথা বলে দেবে?

কামরুল তখন বলেন, না মাইলর্ড, বেশি সময় লাগবে না।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনাদের আন্ডারটেকিং দিতে হবে যে, আর সময় চাইবেন না। তাহলে আমরা বিবেচনা করতে পারি। কামরুল হক তাতে সম্মতি জানালে আদালত আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন।

১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে হাতিরঝিলের কাছে ১৬ তলা ভবন তোলে বিজিএমইএ। জলাধার আইন ভেঙে নির্মিত ওই ভবনকে হাতিরঝিল প্রকল্পে ‘একটি ক্যান্সার’ বলেন হাইকোর্ট।

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog