1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

ইংল্যাণ্ডের ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় সব স্থান

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৭৩ বার

ভ্রমণপিপাসু মানুষদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিদর্শন করা দেশগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড একটি। পর্যটকদের জন্য অনেক চমৎকার স্থান ঘুরে দেখার ও উপভোগ করার অবিরাম সম্ভাবনার দেশ ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের অংশ এই ছোট দেশটি অত্যন্ত প্রভাবশালী। এই দেশটির আছে আকর্ষণীয় ইতিহাস, রোমাঞ্চকর শহর ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এখানকার প্রতিটা বাঁকেই ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখা যায়। পুরাতন দুর্গ, ছবির ন্যায় গ্রাম, মধ্যযুগের কলেজ, প্রাচীন রোমান সাইট এবং শতাব্দী প্রাচীন রাজকীয় প্রাসাদ দেখা যায় দেশটিতে। ইংল্যান্ড ভ্রমণ আপনার কাছে অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

ইংল্যান্ডের অন্যতম দর্শনীয় স্থানগুলো হলো

ব্রিটিশ মিউজিয়াম

প্রত্নতাত্ত্বিক ক্ষেত্র এবং নৃকুলবিদ্যায় ব্রিটিশ মিউজিয়ামের কিছু অসামান্য সমৃদ্ধতা রয়েছে। তিনটি সংগ্রহের ওপর ভিত্তি করে মূলত এই মিউজিয়াম তৈরি হয়েছে। এটিকে ১৭৫৯ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

লন্ডন চিড়িয়াখানা

লন্ডনের চিড়িয়াখানা বেশ পুরোনো এবং ইতিহাসের একটু ছোঁয়া রয়েছে। এটি ১৮২৮ সালে খোলা হয় এবং শুরুর সময়ে এই চিড়িয়াখানা বিভিন্ন বিচিত্র প্রাণীর আবাস্থল ছিল এবং বহু প্রখ্যাত জৈববিজ্ঞানী ও গবেষকরা এখানে বসবাসকারী প্রজাতিদের ওপর বহু নিয়মিত গবেষণা সম্পন্ন করেছেন।

সময়ের সাথে সাথে লন্ডনের চিড়িয়াখানা বিশ্বের এক অন্যতম বিখ্যাত চিড়িয়াখানা হয়েছে ওঠে এবং বর্তমানে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

লন্ডন আই

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ লন্ডন আই একটি বৃহদায়তন পর্যবেক্ষণ চক্র, যা টেমস নদীর দক্ষিণ তীরে কৌশলগতভাবে অবস্থিত। এখান থেকে লন্ডন শহরটিকে অনেক ওপর থেকে দেখা যায়।

ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আলবার্ট মিউজিয়াম

লন্ডনের এই প্রাসাদসম যাদুঘরটির নামকরণ করা হয় ১৯ শতকের রাজজুটি ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্টের সম্মানে। সংক্ষেপে যাদুঘরটি V & A নামেই অধিক পরিচিত।

ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবে

ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবে মূলত একটি গথিক গির্জা এবং এর পরিচয় একটি ক্যাথিড্রাল থেকেও অনেক বেশি, যা ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদের পশ্চিমপ্রান্তে অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের রাজ্যাভিষেক এবং তার পাশাপাশি শেষকৃত্যের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

হাইড পার্ক এবং কেনসিংটন গার্ডেন

একসময় এটি ছিল ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরির অবকাশ যাপন স্থান। হাইড পার্ক এর পায়ে হাঁটা পথ, সাইকেল চালানোর বিস্তৃত জায়গা আর বিচিত্র গাছগাছালি আপনাকে মুগ্ধ করবে।

ট্রাফালগার স্কোয়ার

ট্রাফালগার স্কোয়ার লন্ডনের বৃহত্তম স্কোয়ার এবং মধ্যযুগ থেকে লন্ডনের মানুষদের একটি প্রিয় স্থান হয়ে আসছে। সেই সময়ে এই স্থান চ্যারিং ক্রস নামে পরিচিত ছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে ট্রাফালগার স্কোয়ার টিউব স্টেশন ট্রাফালগার স্কোয়ার নামের পরিবর্তে এখনো চ্যারিং ক্রস নামে পরিচিত রয়েছে।

সমারসেট হাউস

সমারসেট হাউস একটি নব্যশাস্ত্রীয় ভবন এবং সমারসেটের ডিউকের বাসভবন ছিল। উইলিয়াম চেম্বার্স বহুকাল আগে ১৭৭০ সালে এটি নির্মাণ করেন। এই ভবনটি এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যা দেখে মনে হয় চারটি প্রাসাদের একটি গুচ্ছ একই প্রাঙ্গনে রয়েছে।

টেমস নদী

লন্ডন শহরের ক্রমবর্ধমান বিস্ময়কর উন্নতির পেছনে টেমস নদী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মধ্যযুগের সময়কালে লন্ডন এক অন্যতম বিখ্যাত শহর ছিল এবং জাহাজ (নৌ-বাণিজ্য) দ্বারা তার সম্পদ বর্ধিত করতে থাকে, যা সারা বিশ্বে ভ্রমণ করতো এবং লন্ডন বন্দরের নোঙর ঘাঁটিতে ফিরে আসতো।

কেনসিংটন প্যালেস

কেনসিংটন প্যালেস প্রায় ৩০০ বছরেরও অধিক সময়ের জন্য ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের আবাস্থল ছিল। এমনকি আজো এই প্যালেসের মধ্যে কিছু কক্ষ বর্তমান যা ব্রিটিশ শাসকদের বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কেনসিংটন প্যালেস প্রয়াত রাজকুমারী ডায়নার বাসভবন ছিল। এই রাজকীয় প্রাসাদ রাণী ভিক্টোরিয়ার জন্মস্থান ছিল এবং তিনি কেনসিংটন প্যালেসেই বড় হয়ে উঠেছেন।

বিজ্ঞান যাদুঘর

লন্ডনের বিখ্যাত বিজ্ঞান যাদুঘর একটি ৭ তলা বিশাল ভবন। এখানে থরে থরে সাজানো হয়েছে শিক্ষামূলক একই সাথে আনন্দদায়ক সব উপকরণগুলো। এখানে দেখতে পাবেন বিজ্ঞানের আদিম যাত্রা থেকে শুরু করে এর খুঁটিনাটি বিভিন্ন দিক। এছাড়া আছে মেডিক্যাল হিস্ট্রি গ্যালারী যা আপনাকে প্রাচীন চিকিৎসা ব্যবস্থা এর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা, উন্নতির ধারা সবকিছুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে এক নিমিষে।

রিজেন্ট পার্ক

লন্ডনের সবচেয়ে সুন্দর পার্ক হল রিজেন্ট পার্ক। একটি পার্কে যত রকমের আনন্দ নেয়া সম্ভব রিজেন্ট পার্কে যেন তারও বেশি আয়োজন করে রাখা হয়েছে।

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog