1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন

সরকার গঠন দিয়ে আওয়ামী লীগের শুরু, সম্মেলনে শেষ

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৪ বার

কথায় বলে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দল হিসেবে সেটিই প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। সফলতা দিয়ে বছর শুরুর পর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। বছরের শেষে সফলভাবে সম্মেলন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দলটি হাসছে বিজয়ের হাসি। তবে সংগঠনটির কিছু নেতাকর্মীদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বেশ কয়েকবার সমালোচনার মুখোমুখি করে সংগঠনটিকে।

আওয়ামী লীগের সরকার গঠন: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি শপথ নেন সংসদ সদস্যরা। ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গভবনে শপথ নেয় নতুন মন্ত্রিসভা। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ওই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীসহ ছিলেন মোট ৪৬ জন। এর মধ্যে ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ জন উপমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

সৈয়দ আশরাফের মৃত্যু: চলতি বছরের ৩ জানুয়ারী রাতে খবর আসে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আওয়ামী লীগসহ সারা দেশে নেমে আসে শোকের ছায়া। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন। মৃত্যুকালে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

বেঁচে ফেরেন কাদের: প্রয়াত সৈয়দ আশরাফের মৃত্যু শোক কাটার আগেই আবরো দুঃসংবাদ। তার মৃত্যুর ২ মাসের মাথায় ৩মার্চ ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ওই সময়েই তাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে আসেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রীপরিষেদের সদস্যবৃন্দ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। ৪ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে আসেন ভারতীয় চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠি। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ১৫ই মে তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন।

রুটিন ওয়ার্কেই সময় পার: ৩ মার্চের পর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অনুপস্থিতিতে রুটিন ওয়ার্কের মধ্যেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখে আওয়ামী লীগ। দিবস ভিত্তিক কর্মসূচি, দলীয় বিভিন্ন মিটিংয়ের মধ্যদিয়েই কার্যক্রম পরিচালনা করে দলটি। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের খড়গ: বছর জুড়েই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গসংগঠন এবং এগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ছিলো অভিযোগের পাহাড়। সবার আগে খড়গ নেমে আসে ছাত্রলীগের উপর। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে চলতি বছর ১৪ই সেপ্টেম্বর পদচ্যুত করা হয়। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সময়ে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। সংগঠনের শীর্ষ দুই নেতাকের একই সাথে পদচ্যুতি ছাত্রলীগের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। ঠিক তার কয়েক দিন পর চলতি বছরের ১৮ই সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকায় শুরু ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান। প্রথম দিনই র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আটকের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক এত দিন কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি সে প্রশ্ন তোলেন। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি বলছেন ৬০টি ক্যাসিনো আছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনারা ৬০ জনে কি এত দিন আঙুল চুষছিলেন? তাহলে যে ৬০ জায়গায় এই ক্যাসিনো, সেই ৬০ জায়গার থানাকে অ্যারেস্ট করা হোক। সেই ৬০ থানার যে র্যা ব ছিল, তাদের অ্যারেস্ট করা হোক।

তার এমন ঔদর্যপূর্ণ বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সারা দেশে ব্যপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এরপর ২০ সেপ্টেম্বর নিকেতনে নিজের অফিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয় যুবলীগ নেতা জিকে শামীমকে। এরপর একে একে বেরিয়ে আসতে থাকে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। কিছুদিন পর ৬ অক্টোবর ভোরের দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওইদিন বিকেলে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও এনামুল হক আরমানকে যুবলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। এরপর ২০ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠক শেষে ওমর ফারুক চৌধুরীকে যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এই ঘটনার পর ২৩ অক্টোবর ক্যাসিনো সম্পৃক্ততার অভিযোগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওসারকে এবং ২৫ অক্টোবর সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

পাঁচ সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন: চলতে থাকা ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান এবং শুদ্ধি অভিযানের মধ্যেই আওয়ামী লীগের ৫টি সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ৯ অক্টোবর দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন সহযোগী সংগঠন যথা যুবলীগ, কৃষক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন শ্রমিক লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ৬ নভেম্বর কৃষক লীগ, ৯ নভেম্বর শ্রমিক লীগ, ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ২৩ নভেম্বর যুবলীগের অনুষ্ঠানের নির্দেশনা থাকে। কয়েকদিন পর পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ২৯ নভেম্বরে মৎসজীবী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।

সেই মোতাবেক ০৬ নভেম্বর সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কৃষক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউন্সিল উদ্বোধন করেন। পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইবি) মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনে আগামী ৩ বছরের জন্য সভাপতি পদে সমীর চন্দ ও সাধারণ সম্পাদক পদে উম্মে কুলসুম নির্বাচিত হন।

৯ নভেম্বর শ্রমিক লীগের ১৩তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে শ্রমিক লীগের সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ফজলুল হক আর সাধারণ সম্পাদক হন কে এম আজম খসরু। ১৬ নভেম্বর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন নির্মল রঞ্জন গুহ এবং সাধারণ সম্পাদক হন আফজালুর রহমান। একই দিন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে সভাপতি নির্বাচিত হন কামরুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হন তারিক সাঈদ। ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি হন ইসহাক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক হন আনিসুর রহমান।

২৩ নভেম্বর আওয়ামী যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এই কংগ্রেসের উদ্বোধন করেন। সংগ্রেসের কাউন্সিল অধিবেশনে ধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশকে চেয়ারম্যান এবং মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন কাউন্সিলররা।

২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় মৎসজীবী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মৎসজীবী লীগের সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে মো. সাইফুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ আজগর লস্কর নির্বাচিত হন।

শেষ সময়ে তাড়াহুড়ো করে জেলা ইউনিটের সম্মেলন: আওয়ামী লীগের মোট সাংগঠনিক জেলার সংখ্যা ৭৮। এর মধ্যে ২০১৭ সালে কেবল মৌলভীবাজার জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া গত দেড় মাসের ব্যবধানে তাড়াহুড়ো করে আরো ২৯টি জেলা ইউনিটের সম্মেলন সম্পন্ন করেছে দলটি। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। ৩০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হন মান্নান কচি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি হন আবু আহাম্মদ মন্নাফি ও সাধারণ সম্পাদক হন হুয়মায়ূন কবির।

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন: চলতি মাসের ২০ ও ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন। এর মাধ্যমে সভাপতি পদে নবমবারের মতো শেখ হাসিনা এবং দ্বিতীয় বারের মতো সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদের পুনর্নিবাচিত হয়েছেন। তবে দলটির নতুন কমিটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৪১ থেকে বাড়িয়ে ৫১ করা হয়েছে। প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে নতুন কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে কমিটিতে নতুন যুক্ত হয়েছেন হাছান মাহমুদ ও বাহাউদ্দিন নাছিম। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মির্জা আজম, এস এম কামাল এবারই প্রথম যুক্ত হয়েছেন। এছাড়া গত কমিটির উপ- দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তবে কমিটিতে মন্ত্রিসভার ৫ সদস্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল থাকলেও দলীয় পদ থেকে ছিটকে পড়েছেন ৭ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। নতুন এ কমিটিতে অর্থ সম্পাদকের পদ হারিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ হারিয়েছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আইন বিষয়ক সম্পাদকের পদ হারিয়েছেন- গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের পদ হারিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা ও কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যপদ হারিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে গঠনতন্ত্রের কিছু সংশোধনী পাস হয়েছে। এর মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদ ৪১ থেকে ৫১ জন, ডাটব্যজ তৈরীর জন্য সকল সদস্যের নাম ও মোবাইল নম্বার সংযুক্তির বিধান করা হয়, জেলা পর্যায়ে অনুমতি বিহীন খরচ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়, আওয়ামী মৎসজীবি লীগকে সহযোগী সংগঠনের মর্যাদা প্রদান করা হয়, আওয়ামী লীগের দুটি আইনজীবী পরিষদ একিভূত হয়ে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ করা হয়।

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog