1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামির দায় স্বীকার

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৯ বার

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি মুর্তজা রায়হান চৌধুরী দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। অপরদিকে আসামি নুহাত আলম তাফসীরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুরে থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সহকারী কর্মকর্তা পুলিশের এএসআই ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার রিমান্ড চলাকালে আসামি মুর্তজা রায়হান চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তিনি স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তিনি আরো বলেন, শনিবার নুহাত আলম তাফসীরকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নেহাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আজিমপুর এলাকার একটি বাসা থেকে নেহাকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর বাবার করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। এ নিয়ে এ মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসির আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন শাফায়াত জামিল (২২)। সেদিন আদালতে হলফনামা দিয়ে মামলায় সম্পৃক্ততার ইচ্ছা প্রকাশ করেন শাফায়াত। এরপর বিচারক ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গত ৩১ জানুয়ারি তার দুই বন্ধু মুর্তজা রায়হান চৌধুরী ও নুহাত আলম তাফসীরের পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

ওইদিনই চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছিলেন নিহত তরুণীর বাবা। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল চারটায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী এবং রায়হান একসঙ্গে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, মদপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণীকে ধর্ষণ করেন রায়হান। এ সময় রায়হানের বন্ধুরাও কক্ষে ছিলেন।

ধর্ষণের পর রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দু’দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog