1. sardardhaka@yahoo.com : adminmoha :
  2. mohajog@yahoo.com : Daily Mohajog : Daily Mohajog
  3. nafij.moon@gmail.com : Nafij Moon : Nafij Moon
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন

১৯৫ পাকিস্তানি সেনার বিচারের দাবি নিউইয়র্ক প্রবাসীদের

মহাযুগ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ১৪৫ বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৯ ডিসেম্বর গণহত্যা প্রতিরোধ ও স্মরণ দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে এক স্মরণসভায় একাত্তরের গণহত্যায় অভিযুক্ত ১৯৫ জন পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের বিচার দাবি করা হয়েছে। বক্তারা একাত্তরের গণহত্যার দোসর স্থানীয় ঘাতক ও দালালদের বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার দাবিও উত্থাপন করেন।
১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ তার গণহত্যাবিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করে। সেই দিনটি স্মরণ করে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৯ ডিসেম্বরকে গণহত্যা প্রতিরোধ ও স্মরণ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণায় বলা হয়, গণহত্যা প্রতিরোধে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র আইনত ও নৈতিকভাবে দায়ী। গতকাল শুক্রবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণহত্যা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বাঙালি-অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা একাত্তরের শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণের পাশাপাশি গণহত্যার অপরাধে অভিযুক্ত দেশি-বিদেশি সব ব্যক্তির বিচার সম্পন্ন করার দাবি তোলেন। ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রদীপ কর লিখিত প্রবন্ধে একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দাবি জানিয়ে বলেন, এই গণহত্যাকে অস্বীকার করার জন্য দেশি-বিদেশি চরেরা এখনো তৎপর।
বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব জামাল উদ্দিন হোসেন বলেন, বাংলাদেশে এখনো এমন লোক রয়েছে, যারা একাত্তরের গণহত্যায় শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদুল্লাহ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশী মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যা হচ্ছে, তা গণহত্যা-ভিন্ন অন্য কিছু নয়। এর প্রতিকারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত মিয়ানমার সরকারের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান অপরাধ করে বিচার ছাড়া মুক্তি লাভের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতেই একাত্তরের মহান শহীদদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। রবীন্দ্রনাথের গান ও শামসুর রাহমানের কবিতার মাধ্যমেও গণহত্যার শিকার শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 Mohajog